জনি আক্তার মনি (যুক্তরাজ্য): বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং সহিংসতার ঘটনা কখনোই নতুন নয়। বিশেষত, বিএনপি (বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি) যখন ক্ষমতায় ছিল এবং তাদের নেতৃত্বে সরকার পরিচালিত হচ্ছিল, তখন অনেক সময় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠেছে। বিএনপি দলের সাথে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গ্রুপের সন্ত্রাসী কার্যকলাপের কারণে দেশের জনগণ অনেক সময় অসহায় হয়ে পড়েছে। দেশে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভেঙে পড়েছে এবং মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগেছে।
বর্তমানে বিএনপি একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে দেশব্যাপী আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে, এবং তাদের কার্যক্রম অনেক সময় সহিংস হয়ে ওঠে। বিএনপির আন্দোলনকে বিভিন্ন সময়ে সহিংসতার আশ্রয়ে পরিচালিত হতে দেখা গেছে। এর ফলে নিরীহ সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। জনগণ এখন সচেতন হয়ে উঠেছে এবং তারা চায় যে, বিএনপির সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড রোধ করতে হবে। বাংলাদেশে জনতার শক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জনগণ যদি একযোগে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়, তাহলে এই ধরনের সহিংসতা বন্ধ করা সম্ভব।
বিএনপির সন্ত্রাসী কার্যকলাপের একটি প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে জনগণের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করা। রাজনৈতিক আদর্শের নামে তারা দেশজুড়ে সংঘর্ষ এবং অস্থিরতা সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে। তাদের সন্ত্রাসী কর্মসূচি যেন জনগণের প্রতি ত্রাস এবং আতঙ্ক সৃষ্টি করতে পারে, তার জন্য তারা নানা ধরনের সহিংসতার আশ্রয় নেয়। এমন পরিস্থিতিতে জনগণের দায়িত্ব হচ্ছে, তারা যেন তাদের অধিকার রক্ষায় সঠিক পথে আন্দোলন করে এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
আমাদের সমাজে একতা, শান্তি এবং সহনশীলতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিএনপি দলের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধের জন্য জনগণকে সচেতন হতে হবে এবং আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকতে হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাহায্যে এই ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড মোকাবিলা করা সম্ভব, তবে জনগণের সমর্থন এবং সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে পুরোপুরি রুখে দেওয়া সম্ভব নয়। দেশের সাধারণ মানুষ, যারা শান্তিপূর্ণভাবে জীবনযাপন করতে চায়, তাদের এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে।
এছাড়া, সামাজিক মাধ্যম ও গণমাধ্যমের মাধ্যমে জনগণকে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সচেতন করা জরুরি। সন্ত্রাসী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলতে হবে এবং বিএনপির কোনো সহিংস আন্দোলনকে সমর্থন না করার জন্য মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।
যতদিন না জনগণ এক হয়ে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে দাঁড়াবে, ততদিন দেশে নিরাপত্তা এবং শান্তি ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়। সুতরাং, সন্ত্রাস রুখতে জনগণের ঐক্য এবং সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
vkqy5r