নাদিয়া আক্তার: সিলেটের কুলাউড়ারায় যুবদল নেতার বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে রিবরবাজার এলাকায়, যেখানে অভিযুক্ত নেতা সাইমুন নুর তার নিজ গ্রাম রবিরবাজারের সিতারা বেগম (৩০) নামের এক নারীকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে তার সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলেন। কিন্তু কিছুদিন পর তিনি সিতারাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এই ঘটনায় সিতারা মানসিক ও শারীরিকভাবে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তার পরিবার স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
প্রশাসনের এমন নীরবতা ও নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে স্থানীয় জনগণের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, ক্ষমতাশালী ব্যক্তিরা আইনের ঊর্ধ্বে হয়ে গেলে সাধারণ মানুষের ন্যায়বিচার পাওয়ার উপায় কী? এই ঘটনায় প্রশাসনের উদাসীনতা শুধু ভুক্তভোগী পরিবারকেই নয়, সমগ্র সমাজকেই হতাশ করেছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই ঘটনাকে গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে।
এই ধরনের ঘটনা সমাজে নারীদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে নারীদের শোষণ ও নির্যাতনের মতো ঘটনাগুলো দিন দিন বাড়ছে, যা সমাজের নৈতিক ভিত্তিকে দুর্বল করে দিচ্ছে। প্রশাসনের উচিত এই ধরনের ঘটনাগুলোকে গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে দ্রুত তদন্ত করা এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া। পাশাপাশি, নারীদের নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষায় সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিরও প্রয়োজন। জনগণের আতঙ্ক দূর করতে প্রশাসনকে আরও সক্রিয় ও জবাবদিহি করতে হবে, যাতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।