মাসুদা আক্তার: আজ, ধর্ষণ ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের ৯ দফা দাবিতে যমুনা অভিমুখে গণপদযাত্রা ও প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচিতে পুলিশ ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা চালায়। হামলায় নারীসহ ১৫ জন আন্দোলনকারী আহত হন।
ধর্ষণ ও নিপীড়নবিরোধী আন্দোলনে নারীদের উপর এসি মামুনের ন্যাক্কারজনক হামলা আবারো পুলিশের গণবিরোধী চরিত্রের উন্মোচন ঘটালো। ধর্ষক-নিপীড়ক-খুনীদের ঠেকাতে ব্যর্থ পুলিশ বাহিনী গণমানুষের ক্ষোভের বিচ্ছুরণ ঠেকাতে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনে বলপ্রয়োগ করছে। এই হামলার দায়, পুলিশ প্রশাসনসহ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে নিতে হবে। আজকের হামলা চলমান আন্দোলনের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে অপসারণের দাবির যথার্থতা প্রমাণ করে।
আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শাসনামল থেকে টেনে আনা পুলিশের ধর্ষক-নিপীড়ক-অপরাধের পাহারদারি ও মজলুমের উপর অত্যাচারী চরিত্রের অবসান ব্যতিত, মুক্তিযুদ্ধ ও চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের গণমুক্তির আকাঙ্খার বাস্তবায়ন সম্ভব নয়।
আমরা ভুলে যাইনি স্বামীকে ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে তার স্ত্রীকে পবিত্র শবে-কদরের দিন রোজারত অবস্থায় ধর্ষন করার ঘটনা । এর আগেও একাধিকবার ধর্ষন করা হয় তাকে। ধর্ষনের পর তার স্ত্রীর মানসিক অবস্থার অবনতি হয় এবং কিছুদিন পরে মৃত্যুবরন করেন।
ধর্ষক কে? ধর্ষক হলেন র্যাবের উর্ধতন কর্মকর্তা পুলিশ সুপার আলেপ উদ্দিন। আসহায় স্বামী আলেপকে ফোন করে এ বিষয়ে জানতে চাইলে এসপি আলেপ বলেন, বন্দি নারী বা বন্দি পুরুষদের স্ত্রীর সাথে এসব আচরণ এখানে অলিখিতভাবে স্বীকৃত’।
আলেপ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সাবেক ছাত্র। একজন বিসিএস কর্মকর্তা। তারও স্ত্রী সন্তান আছে। কোথায় গেলো তার শিক্ষা, পেশাদারিত্ব, বিবেকবোধ? এই র্যাব কর্মকর্তা আলেপের বিচার সবার আগে হওয়া উচিত। তবে এমন আলেপ কিন্তু একটা না। খুঁজলে মিলবে শত শত! সবাই মুখ খুলতে শুরু করলে দেখা যাবে সবাই উলঙ।
oz117e