আব্দুল্লাহ মোঃ তাহের: জামায়াত নেতাদের নিরাপত্তা আজ প্রশ্নের মুখে। সারাদেশে একের পর এক জামায়াত নেতা ও কর্মীদের হত্যাকাণ্ড চলছে, যা একটি গভীর উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই হত্যাকাণ্ড শুধু একটি রাজনৈতিক দলের জন্য হুমকি নয়, বরং সার্বিকভাবে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকেও প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের পর প্রশ্ন উঠছে, নেতা-কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা কোথায়? কেন এই হত্যার স্রোত থামানো যাচ্ছে না?
এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্ব বা ব্যক্তিগত শত্রুতাও এর পেছনে কাজ করতে পারে। কিন্তু যাই হোক না কেন, রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। জামায়াত নেতারা যেহেতু দেশের নাগরিক, তাই তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও রাষ্ট্রের দায়িত্ব। কিন্তু বাস্তবতা হলো, এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনাগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, হত্যাকাণ্ডের পর তদন্তে গতি নেই, দোষীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে।
এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য প্রথমেই প্রয়োজন স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত। প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের তদন্ত দ্রুত ও কার্যকরভাবে সম্পন্ন করে দোষীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। দ্বিতীয়ত, জামায়াত নেতা ও কর্মীদের নিরাপত্তা বাড়াতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তাদের জীবন রক্ষায় রাষ্ট্রকে এগিয়ে আসতে হবে। তৃতীয়ত, রাজনৈতিক সহিংসতা বন্ধ করতে সব রাজনৈতিক দলকে একযোগে কাজ করতে হবে।
শুধু জামায়াত নেতাদের নিরাপত্তাই নয়, দেশের প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। সারাদেশে খুনের এই স্রোত থামাতে হলে রাষ্ট্র, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সমাজের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। নইলে এই হত্যাকাণ্ডের কালো ছায়া থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব হবে না।
27dgm8
496vcv