দেশকে অস্থিতিশীল করতে সমন্বয়কদের চেষ্টা:

ক্রাইম; দর্পন; ক্রাইম দর্পন; crime; crimedorpon; crimedarpan; dorpon; darpan; The Weekly Crime Dorpon; the weekly crime darpan; crimedorpon.com;

জনি আক্তার মনি: সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ কিংবা সারজিস আলম সেনাপ্রধানের সাথে হওয়া বৈঠক নিয়ে কি পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দিল সেটা বর্তমান প্রায় ধ্বংস হয়ে যাওয়া দেশে আসলেই গুরুত্বপূর্ণ কিছু বলে ব্যক্তিগত ভাবে আমি মনে করি না। একটা অবৈধ সরকারের সরাসরি পৃষ্ঠপোষকতায় গড়ে উঠা একটি দল, যাদের আত্মপকাশ অনুষ্ঠানে লোক সমাগম করা হয়েছে সরকারের তরফ থেকে গাড়ি রিকুইজিশন আর গ্রামীন ব্যাংকের কর্মীদের দিয়ে, সেই দলের দুই জনের সাথে সেনাপ্রধান যে দেখা করেছেন সেটাই বরং আশ্চর্য হবার বিষয়! বর্তমান বাংলাদেশ নিয়ে কনসার্ন্ড হবার মতো সেনাবাহিনীর আরো অনেক জরুরি বিষয় আছে।

আজ প্রায় সাড়ে সাতমাসের বেশি হতে চললো সেনাবাহিনী ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার নিয়ে মাঠ পর্যায়ে নিয়োজিত আছে। তা সত্ত্বেও দেশের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি একটা যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশের মতো। ধর্ষণ, খুন, ডাকাতি, ছিনতাই দেশের নিত্যকার ঘটনা। মানুষের জানমালের নূন্যতম নিরাপত্তা নেই। সমন্বয়ক নামধারী গুটিকতক শুকর শাবক দেশকে রীতিমতো মগের মুল্লুকে পরিণত করেছে।

বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসে দেশের সব শীর্ষ সন্ত্রাসী নেতাদের মুক্তি দিয়েছে। থানা থেকে লুট করা হয়েছে হাজারো অস্ত্র গুলাবারুদ, যেগুলো উদ্ধারে দৃশ্যমান সফলতা নেই। সেই অস্ত্রের বলে বলীয়ান হয়েই প্রকাশ্যে তৎপরতা শুরু করেছে জঙ্গীগোষ্ঠী। আন্তর্জাতিক মিডিয়াতে বলা হচ্ছে বাংলাদেশ হতে যাচ্ছে পরবর্তী আফগানিস্তান। যে সেনাবাহিনী যুদ্ধবিদ্ধস্ত বিভিন্ন দেশে শান্তি আনতে কাজ করে, তারা তাদের চোখের সামনে নিজ দেশকে সন্ত্রাসী রাষ্ট্রে পরিণত হতে দিচ্ছে, এটা বিশ্বাস করতে কস্ট হচ্ছে।

যে সেনাবাহিনীকে দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয়, মাঠে তাদের উপস্থিতি থাকা সত্ত্বেও যখন দেশ ক্রমাগত ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যায় তখন সেটি শুধু ইউনিফর্মকেই কলংকিত করে না, বরং রাষ্ট্রের অস্থিত্যকেও হুমকির মুখে ফেলে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *